Online Bangla Media-Largest Web portal - আমার পদত্যাগের পেছনে কী আছে, সেটা সবাই জানুক। সত্যি কথা বলা তো অপরাধ নয়

Online Bangla Media

Largest web portal
Narrow Default Wide
jtemplate.ru - free extensions for joomla
 

আমার পদত্যাগের পেছনে কী আছে, সেটা সবাই জানুক। সত্যি কথা বলা তো অপরাধ নয়


7b9dc7c1564bc87da681ecae8494fca7-9

 

আ হ ম মুস্তফা কামাল: শ্রীনিবাসন যখন চেয়ারম্যান মনোনীত হন, তাঁর বিরুদ্ধে তখনো মামলা হয়নি। মামলা হয় মনোনয়নের পর। মনোনয়নের সময় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত তো বলা যাবে না তিনি অপরাধী। ওনার নামে অনেক মামলা, উনি বিতর্কিত, উনি ভালো মানুষ না—এসব সবাই জানে। আর আইসিসিতে সংবিধান পরিপন্থী কোনো কাজ আগে ঘটেনি বলেই এর আগে কেউ কিছু বলেনি। কিন্তু যখন আমি দেখলাম সত্য নেই, মিথ্যা এসে গেছে ক্রিকেটে, তখনই আমি ১৬ কোটি মানুষের, সারা বিশ্বের মানুষের বিবেক হিসেবে উঠে দাঁড়িয়েছি।

. ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড মিলে গত বছর ‘বিগ থ্রি’ করল। বিশ্ব ক্রিকেটকে তারাই নিয়ন্ত্রণ করবে, বিশ্বকাপটাকেও ছোট করে ফেলা হচ্ছে। এসব ব্যাপারে কী বলবেন?

মুস্তফা কামাল: এগুলো অন্যায়। আমরা চাই ক্রিকেটের বিশ্বায়ন। আরও বেশি দেশ ক্রিকেট খেলবে। এবার ১৪টি দেশ বিশ্বকাপে খেলায় তো ভালোই হয়েছে। ওরা সব ওদের নিজেদের সুবিধামতো করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজও হেরে গেলে ফরম্যাট বদলে ফেলে। আপনাদের মতো আমিও মনে করি, কোনো একটা মানদণ্ড ঠিক করলে সেটা অনুসরণ করা উচিত। কয়েক বছর চলার পর প্রয়োজনে সেটা পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রতিবছর ক্রিকেটের পরিবর্তন হচ্ছে। ডিআরএস কমে এখন হয়েছে একটি, কদিন পর একটিও থাকবে না, এগুলো চলতে পারে না। এগুলো পাগলামি।

. বিগ-থ্রি হওয়ার পর বাংলাদেশকে দ্বিতীয় স্তরে নামিয়ে দেওয়া নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। তখন আপনার ভূমিকা কী ছিল?

মুস্তফা কামাল: তখনো আমি সভাপতির দায়িত্ব নিইনি। সহসভাপতি ছিলাম। আপনারা জানেন, বিসিবির সভাপতি এবং আমি মিলে এর বিরুদ্ধে লড়াই করি। সে কারণেই আমাদের রেলিগেশনে যেতে হয়নি। না হলে আমাদের ওরা রেলিগেশনে নিয়ে যেত। সেটা তো আমরা বন্ধ করেছি।

. আপনার কী মনে হয়, আইসিসি সভাপতির পদ থেকে আপনার পদত্যাগেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? আইসিসিকে কলুষমুক্ত করা যাবে কীভাবে?

মুস্তফা কামাল: আইসিসির প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমি আইসিসির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আর এখানে আইসিসির তো দোষ নেই! এক-দুজন লোকের জন্য আইসিসিকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না। বরং ওই লোকগুলোকেই সরাতে হবে। আমি সেটার পথ করে দিলাম। আমার পদত্যাগের পেছনে কী আছে, সেটা সবাই জানুক। সত্যি কথা বলা তো অপরাধ নয়! আমি দেখালাম যে আমি কথা বলতে পারি। বাংলাদেশে যদি কোনো ম্যাচ ফিক্সিং হয়, এটা নিয়ে আইসিসিতে তদন্ত হবে। অন্য দেশে হলে তো তদন্ত হয় না। এগুলো বন্ধ হওয়া দরকার। আমি সেই ন্যায়ের পক্ষেই কথা বলেছি।

. ফাইনালের আগের রাতের সভায় আপনাকে কী বলা হয়েছিল?

মুস্তফা কামাল: মিটিংয়ে চার-পাঁচজন পরিচালক। যিনি সভাপতিত্ব করছিলেন তিনি বিতর্কিত মানুষ। তিনি আমাকে বললেন ওই দিনের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দিতে। আমি বললাম, আমি তো আইসিসির সভাপতি। সভাপতি কার কাছে ক্ষমা চাইবে? সভাপতি ক্ষমা চাইতে পারে না। সভাপতিকে যদি ক্ষমা চাইতে হয়, সেটা আপনাদের এবং ক্রিকেটের জন্যও লজ্জার। পরে বললেন, ক্ষমা চাইতে না পারলে আমি যেন আমার ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিই। আমি বলেছি, আমি প্রত্যাহার করব না। কারণ ওই বক্তব্য ছিল বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মনের কথা। তখন আমাকে বলা হলো, কোনোটিই না করলে পরদিন আমি ট্রফি দিতে পারব না। আমি বললাম, পুরস্কার দেবে আইসিসি সভাপতি। আজ এখানে আমি সভাপতি হিসেবে এসেছি। কালও তো আমিই সভাপতি থাকব! সভাপতির উপস্থিতিতে তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কেউ ট্রফি দেওয়ার অধিকার রাখে না। আমি তাঁদের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ না করতে অনুরোধ করলাম। বললাম, আমার বক্তব্যের জন্য প্রয়োজনে কৈফিয়ত চাইতে পারেন। কৈফিয়ত দাবি করলে আমি এর জবাব দিতে বাধ্য। তারা এর পরও বললেন, আমি পুরস্কার দিতে পারব না।

. গঠনতন্ত্র ভেঙে আপনাকে আপনার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আপনি কি এর জন্য কোনো মামলা করবেন?

মুস্তফা কামাল: এ পর্যন্ত অন্তত ১০০ জন আমাকে বলেছে তারা মামলা করবে। কিন্তু আমি মামলার পক্ষে নই। আমি সব এখানেই শেষ করে দিতে চাই। আর মামলা করব কার বিরুদ্ধে? একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে! যার গায়ে দুর্গন্ধ! আমি মামলা করলে তিনি দোষ চাপাবেন আইসিসির ওপরে। বলবেন, আইসিসি বলেছে সে জন্য সে ট্রফি দিয়েছে। তখন আমাকে মামলা করতে হবে আইসিসির বিরুদ্ধে। আমি আইসিসির বিরুদ্ধে মামলা করার পক্ষপাতী নই। মামলা হলে হয় মানহানির। তিনি আমার মানহানি করেছেন, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মানহানি করেছেন। কিন্তু তিনি তো দোষ চাপাবেন আইসিসির ওপর!

. ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এসেছে, ফাইনালের আগের দিনের সভা থেকে আপনাকে দুবার বেরিয়ে যেতে হয়েছে। ওই সভায় বিসিবির অবস্থানই বা কী ছিল?

মুস্তফা কামাল: দুবার না, একবার। তবে এটা কোনো সমস্যা নয়। এটাই নিয়ম। এর আগে যখন অ্যালান আইজাক সম্পর্কে একবার আলোচনা হচ্ছিল, উনি সভা থেকে বেরিয়ে যান। আবার শ্রীনিবাসনের ব্যাপারে যখন মিটিং করি আমরা, ওনাকেও বলি বের হয়ে যান। বিসিবির কোনো প্রতিনিধি সেদিন সভায় ছিলেন না। কারণ ওই সভার জন্য কাউকে নোটিশ দেওয়া হয়নি। সবাইকে ফোনে ডাকা হয়েছে।

. আপনি কি এসব ব্যাপারে বিসিসিআই বা ডালমিয়ার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেছেন?

মুস্তফা কামাল: এগুলো আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এসব প্রশ্নের জবাব আমি দেব না। কার কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, সেগুলো বলব না।

. এ ঘটনায় বিসিবির সঙ্গে বিসিসিআইয়ের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না তো?

মুস্তফা কামাল: কেন প্রভাব পড়বে? আমার অভিযোগ তো বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে নয়। আর বিসিবির যেটা করা দরকার, সেটা করেছে। আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ পাঠিয়েছে। এখন আইসিসি সেটার জবাব দেবে।

. পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে কি আইসিসির অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করেছেন? ট্রফি দেওয়া নিয়ে তাঁদের মতামত কী?

মুস্তফা কামাল: সেদিন তো ওখানে তিন-চারজন ছাড়া আর কেউ ছিল না। তবে আমি মনে করি, আমি বিচারের জন্য একটা রাস্তা তৈরি করে দিলাম। না হলে রাস্তাটাও তৈরি হতো না। বলতেন উনি নিজেই ট্রফি দিতে রাজি হননি, আমাকে দিতে বলেছেন।

Comments   

 
0 #1 RE: আমার পদত্যাগের পেছনে কী আছে, সেটা সবাই জানুক। সত্যি কথা বলা তো অপরাধ নয়News portals 2015-12-29 17:05
mostafa kamal bangaldesh ke onek upore nea gase
Quote
 

Add comment


Security code
Refresh

 

 

 

Seminar on Bangladesh fashion design in Tashkent

Fashion 472572226

The program was attended by the guests including the spouses of the ambassadors of embassies in Tashkent,

UN agencies representatives, local fashion designers, media and cultural activists, journalists and embassy officials.