Online Bangla Media-Largest Web portal - Blog

Online Bangla Media

Largest web portal
Narrow Default Wide
jtemplate.ru - free extensions for joomla
 

Man runs over wife backing out of driveway

driveway25n-2-web


********************************************
Nupur Baten, 26, was crushed under the wheels of husband Sakwat Hossain’s Toyota Rav4 after he lost control backing out of their driveway.
A motorist with just three months at the wheel fatally struck his own wife Saturday while she guided him out of the family’s Brooklyn driveway, grieving relatives said.

Nupur Baten, 26, was crushed under the wheels of husband Sakwat Hossain’s Toyota Rav4 after he lost control backing out of their driveway on E. 32nd St. near Avenue D in East Flatbush, family members told the Daily News.


Paramedics removed Baten’s body from under the car at around 9:30 a.m, officials said. The mother of two, who relatives said came to the U.S. from Bangladesh 15 years ago, was barely conscious and rushed to Kings County Hospital. She was pronounced dead just under an hour later, cops said.

Hossain Baten, 31, remained at the crash, cops said, and no charges were immediately filed. Late Saturday, relatives said they did not know where the husband was. The motorist had only been licensed to drive for three months, said Baten’s uncle, Abedin Zainal.

Zainal called his niece a “loving” stay-at-home mother who took care of two children, Sadika, 4, and Samia, 10 months.

“She was a very excellent girl,” he said, sobbing between words.

 Family members said the accident pinned her against the wall of the adjacent apartment building. Abedin Samia, a 16-year-old cousin, described Baten as a dedicated mother.

The motorist had only been licensed to drive for three months, said Baten’s uncle, Abedin Zainal.BRUCE COTLER/STR FOR NEW YORK DAILY NEWS
The motorist had only been licensed to drive for three months, said Baten’s uncle, Abedin Zainal.
“She loved taking her kids to the park,” the cousin said. “She would play around with them, help her kids go down the slide.

“She was childlike. She would play tag with us. She was very jokey.”

Her cousin said that Baten would help her Bangladeshi-born relatives in any way she could.

“She was always helping others. She was always there for people,” she said. “Driving family members to the doctor, translating for them.”

An uncle, who didn’t want his name used, said that he’s now concerned for the children his niece left behind.

“I worry about the kids,” he said. “They’ve lost their mother. They won’t have their mother.”

মাকে কথা দিয়ে ফিরে গেলেন জামিনা

3 287050

জন্মের পর বিক্রি হওয়া খুলনার মেয়ে জামিলা আজ আমেরিকা প্রবাসী এস্থার জামিনা জডিং। ৩৭ বছর পর সে মাকে খুঁজে পেয়েছেন। আর মাকে দেখার জন্য ছুটে এসেছেন খুলনায়। ৩ দিন মায়ের সঙ্গে কাটিয়ে মঙ্গলবার বিদায় নিয়েছেন তিনি। বিদায় বেলায় অশ্র“সিক্ত নয়নে মা নূরজাহানকে বলে যান, ‘নো মোর ফিশিং।’

১৯৭৭ সালে খুলনার দাকোপ উপজেলার গুণারী গ্রামের নূরজাহান বেগম ও মোহন গাজী দম্পতির ঘরে পঞ্চম সন্তান হিসেবে জন্ম হওয়া মেয়ের নাম রাখা হয় জামিলা। তখন তারা বসবাস করতেন চালনায়। অভাবের সংসারের কর্তা অসুস্থ মোহন গাজী জন্মের ৫ দিনের মাথায় সুযোগ পেয়ে জামিলাকে খুলনার এজি মিশনে নিয়ে যান এবং সেখানে এক আমেরিকান দম্পতির কাছে ৫০০ টাকায় বিক্রি করে দেন। সেদিন নূরজাহান চালনায় খোয়া ভাঙার কাজ করতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে আর মেয়েকে পাননি। স্বামী মোহন তাকে জানান, মেয়েকে বারান্দা থেকে কেউ হয় তো নিয়ে গেছে। এর প্রায় ৮ মাস পর মেরি ও পেট দম্পতি খুলনার এজি মিশনে আসেন এবং তারা জামিলাকে দত্তক নিয়ে আমেরিকা চলে যান। এরপর জামিলা হয়ে যায় এস্থার জামিনা জডিং। লেখাপড়া শেষ করে জামিনা সেখানে চাকরি করছেন। তার রয়েছে তিন ছেলে। স্বামী ল্যান্স জডিং পেশায় কেমিস্ট।

 
বাঁ থেকে- হাসান, সোহেল, রনি দেওয়ান ও নয়ন দেওয়ান
‘ওরা আমার এলাকার লোকজনকে মেরে চলে যাবে, আর আমি হাত গুটিয়ে বসে থাকব? জীবন বাজি রাখছি কি না জানি না। তবে ওদের ছাড়িনি। খুনি ধরতে পারছি, এইটাই শান্তি, টাকার লোভ আমাদের নাই।’ কথাগুলো বলছিলেন রনি দেওয়ান (৩২)। শরীরে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট, তবে স্বস্তির ঝিলিক খেলে যাচ্ছিল তাঁর চোখে-মুখে। সুঠামদেহী এই যুবক ও তাঁর বন্ধুরা এখন আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকার বীরে পরিণত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে ডাকাতদলের আক্রমণের পর যে কয়েকজন এলাকাবাসী প্রতিরোধ গড়েছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম রনি। নিজের প্রাইভেট কার নিয়ে মোটরসাইকেলে পালাতে থাকা ডাকাতদের ধাওয়া করেন তিনি ও তাঁর দুই বন্ধু। ডাকাতরা তাঁর গাড়িতে বোমা ছুড়ে মারে। গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে হাল ছাড়েননি রনিরা। সেই গাড়ি নিয়ে ডাকাতদের পেছনে ছুটতে থাকেন। একপর্যায়ে ডাকাতদের মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। মোটরসাইকেল উল্টে গেলে পড়ে যায় তিন ডাকাত। জনতার হাতে ধরা পড়ে তারা। ডাকাতদের ব্যাগে ছিল লুটের চার লাখ ২০ হাজার টাকা ও অস্ত্র। সেগুলো উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন রনি ও তাঁর বন্ধুরা। খবর কালের কন্ঠ'র।

ফুলবানু নয়, প্রীতিলতা কিংবা ফুলনদেবী চাই

 

সব ধরনের মিডিয়া, ফোনে-চায়ের দোকানে, ঘরে-বাইরে সর্বত্র একটি কথাই উচ্চারিত-আলোচিত হচ্ছে। পহেলা বৈশাখে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসি সংলগ্ন গেটের কাছে কতিপয় পশু, বেজন্মাদের পাশবিকতার ঘটনা। কিন্তু বিস্ময়করভাবে লক্ষ্য করছি, এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। এমন কি প্রত্যক্ষদর্শীরা দু’জন বেজন্মাকে হাতেনাতে ধরে পুলিশের কাছে দিয়েছিল। পুলিশ তাদের ছেড়ে দিয়েছে।

আমার পদত্যাগের পেছনে কী আছে, সেটা সবাই জানুক। সত্যি কথা বলা তো অপরাধ নয়


7b9dc7c1564bc87da681ecae8494fca7-9

 

আ হ ম মুস্তফা কামাল: শ্রীনিবাসন যখন চেয়ারম্যান মনোনীত হন, তাঁর বিরুদ্ধে তখনো মামলা হয়নি। মামলা হয় মনোনয়নের পর। মনোনয়নের সময় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত তো বলা যাবে না তিনি অপরাধী। ওনার নামে অনেক মামলা, উনি বিতর্কিত, উনি ভালো মানুষ না—এসব সবাই জানে। আর আইসিসিতে সংবিধান পরিপন্থী কোনো কাজ আগে ঘটেনি বলেই এর আগে কেউ কিছু বলেনি। কিন্তু যখন আমি দেখলাম সত্য নেই, মিথ্যা এসে গেছে ক্রিকেটে, তখনই আমি ১৬ কোটি মানুষের, সারা বিশ্বের মানুষের বিবেক হিসেবে উঠে দাঁড়িয়েছি।

. ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড মিলে গত বছর ‘বিগ থ্রি’ করল। বিশ্ব ক্রিকেটকে তারাই নিয়ন্ত্রণ করবে, বিশ্বকাপটাকেও ছোট করে ফেলা হচ্ছে। এসব ব্যাপারে কী বলবেন?

মুস্তফা কামাল: এগুলো অন্যায়। আমরা চাই ক্রিকেটের বিশ্বায়ন। আরও বেশি দেশ ক্রিকেট খেলবে। এবার ১৪টি দেশ বিশ্বকাপে খেলায় তো ভালোই হয়েছে। ওরা সব ওদের নিজেদের সুবিধামতো করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজও হেরে গেলে ফরম্যাট বদলে ফেলে। আপনাদের মতো আমিও মনে করি, কোনো একটা মানদণ্ড ঠিক করলে সেটা অনুসরণ করা উচিত। কয়েক বছর চলার পর প্রয়োজনে সেটা পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রতিবছর ক্রিকেটের পরিবর্তন হচ্ছে। ডিআরএস কমে এখন হয়েছে একটি, কদিন পর একটিও থাকবে না, এগুলো চলতে পারে না। এগুলো পাগলামি।

. বিগ-থ্রি হওয়ার পর বাংলাদেশকে দ্বিতীয় স্তরে নামিয়ে দেওয়া নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। তখন আপনার ভূমিকা কী ছিল?

মুস্তফা কামাল: তখনো আমি সভাপতির দায়িত্ব নিইনি। সহসভাপতি ছিলাম। আপনারা জানেন, বিসিবির সভাপতি এবং আমি মিলে এর বিরুদ্ধে লড়াই করি। সে কারণেই আমাদের রেলিগেশনে যেতে হয়নি। না হলে আমাদের ওরা রেলিগেশনে নিয়ে যেত। সেটা তো আমরা বন্ধ করেছি।

. আপনার কী মনে হয়, আইসিসি সভাপতির পদ থেকে আপনার পদত্যাগেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? আইসিসিকে কলুষমুক্ত করা যাবে কীভাবে?

মুস্তফা কামাল: আইসিসির প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমি আইসিসির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আর এখানে আইসিসির তো দোষ নেই! এক-দুজন লোকের জন্য আইসিসিকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না। বরং ওই লোকগুলোকেই সরাতে হবে। আমি সেটার পথ করে দিলাম। আমার পদত্যাগের পেছনে কী আছে, সেটা সবাই জানুক। সত্যি কথা বলা তো অপরাধ নয়! আমি দেখালাম যে আমি কথা বলতে পারি। বাংলাদেশে যদি কোনো ম্যাচ ফিক্সিং হয়, এটা নিয়ে আইসিসিতে তদন্ত হবে। অন্য দেশে হলে তো তদন্ত হয় না। এগুলো বন্ধ হওয়া দরকার। আমি সেই ন্যায়ের পক্ষেই কথা বলেছি।

. ফাইনালের আগের রাতের সভায় আপনাকে কী বলা হয়েছিল?

মুস্তফা কামাল: মিটিংয়ে চার-পাঁচজন পরিচালক। যিনি সভাপতিত্ব করছিলেন তিনি বিতর্কিত মানুষ। তিনি আমাকে বললেন ওই দিনের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দিতে। আমি বললাম, আমি তো আইসিসির সভাপতি। সভাপতি কার কাছে ক্ষমা চাইবে? সভাপতি ক্ষমা চাইতে পারে না। সভাপতিকে যদি ক্ষমা চাইতে হয়, সেটা আপনাদের এবং ক্রিকেটের জন্যও লজ্জার। পরে বললেন, ক্ষমা চাইতে না পারলে আমি যেন আমার ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিই। আমি বলেছি, আমি প্রত্যাহার করব না। কারণ ওই বক্তব্য ছিল বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মনের কথা। তখন আমাকে বলা হলো, কোনোটিই না করলে পরদিন আমি ট্রফি দিতে পারব না। আমি বললাম, পুরস্কার দেবে আইসিসি সভাপতি। আজ এখানে আমি সভাপতি হিসেবে এসেছি। কালও তো আমিই সভাপতি থাকব! সভাপতির উপস্থিতিতে তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কেউ ট্রফি দেওয়ার অধিকার রাখে না। আমি তাঁদের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ না করতে অনুরোধ করলাম। বললাম, আমার বক্তব্যের জন্য প্রয়োজনে কৈফিয়ত চাইতে পারেন। কৈফিয়ত দাবি করলে আমি এর জবাব দিতে বাধ্য। তারা এর পরও বললেন, আমি পুরস্কার দিতে পারব না।

. গঠনতন্ত্র ভেঙে আপনাকে আপনার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আপনি কি এর জন্য কোনো মামলা করবেন?

মুস্তফা কামাল: এ পর্যন্ত অন্তত ১০০ জন আমাকে বলেছে তারা মামলা করবে। কিন্তু আমি মামলার পক্ষে নই। আমি সব এখানেই শেষ করে দিতে চাই। আর মামলা করব কার বিরুদ্ধে? একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে! যার গায়ে দুর্গন্ধ! আমি মামলা করলে তিনি দোষ চাপাবেন আইসিসির ওপরে। বলবেন, আইসিসি বলেছে সে জন্য সে ট্রফি দিয়েছে। তখন আমাকে মামলা করতে হবে আইসিসির বিরুদ্ধে। আমি আইসিসির বিরুদ্ধে মামলা করার পক্ষপাতী নই। মামলা হলে হয় মানহানির। তিনি আমার মানহানি করেছেন, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মানহানি করেছেন। কিন্তু তিনি তো দোষ চাপাবেন আইসিসির ওপর!

. ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এসেছে, ফাইনালের আগের দিনের সভা থেকে আপনাকে দুবার বেরিয়ে যেতে হয়েছে। ওই সভায় বিসিবির অবস্থানই বা কী ছিল?

মুস্তফা কামাল: দুবার না, একবার। তবে এটা কোনো সমস্যা নয়। এটাই নিয়ম। এর আগে যখন অ্যালান আইজাক সম্পর্কে একবার আলোচনা হচ্ছিল, উনি সভা থেকে বেরিয়ে যান। আবার শ্রীনিবাসনের ব্যাপারে যখন মিটিং করি আমরা, ওনাকেও বলি বের হয়ে যান। বিসিবির কোনো প্রতিনিধি সেদিন সভায় ছিলেন না। কারণ ওই সভার জন্য কাউকে নোটিশ দেওয়া হয়নি। সবাইকে ফোনে ডাকা হয়েছে।

. আপনি কি এসব ব্যাপারে বিসিসিআই বা ডালমিয়ার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেছেন?

মুস্তফা কামাল: এগুলো আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এসব প্রশ্নের জবাব আমি দেব না। কার কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, সেগুলো বলব না।

. এ ঘটনায় বিসিবির সঙ্গে বিসিসিআইয়ের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না তো?

মুস্তফা কামাল: কেন প্রভাব পড়বে? আমার অভিযোগ তো বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে নয়। আর বিসিবির যেটা করা দরকার, সেটা করেছে। আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ পাঠিয়েছে। এখন আইসিসি সেটার জবাব দেবে।

. পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে কি আইসিসির অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করেছেন? ট্রফি দেওয়া নিয়ে তাঁদের মতামত কী?

মুস্তফা কামাল: সেদিন তো ওখানে তিন-চারজন ছাড়া আর কেউ ছিল না। তবে আমি মনে করি, আমি বিচারের জন্য একটা রাস্তা তৈরি করে দিলাম। না হলে রাস্তাটাও তৈরি হতো না। বলতেন উনি নিজেই ট্রফি দিতে রাজি হননি, আমাকে দিতে বলেছেন।

Even Sidhu criticizing ICC for Bad umpiring



একুশের চেতনা: ভাষা নিয়ে ভাসাভাসা কথা ও আমাদের ভাষানীতি

 

- ড. মাহরুফ চৌধুরী

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী মাস এলেই মাতৃভাষা বাংলাকে নিয়ে আমাদের মাতামাতি সত্যিই চোখে পরার মতো। আর তখনই আমরা সবাই আবেগে বিগলিত হয়ে পড়ি এবং আমাদের ভাষাকেন্দ্রিক জাতিসত্তার পরিচয়ের কথা মাসব্যাপী নানা আচার আর উপাচারে স্মরণ করি। গণমাধ্যমগুলোতে প্রতিনিয়ত মাতৃভাষা বাংলার অধিকার আদায়ের সংগ্রামের গৌরবগাঁথা নিয়ে নানাকথার ফুলঝুড়ি দেখা যায়। কিন্তু এসব কিছুই আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে ঘিরে আবেগের ঘোরে ভাসাভাসা কথাবার্তার বর্হিপ্রকাশ মাত্র।তাই শুধু ফেব্রুয়ারী মাসেই আমরা ভাষা নিয়ে ভাসাভাসা কথা আর মায়া কান্নায় প্লাবিত হতে দেখি আমাদের সাংস্কৃতি অঙ্গন। অথচ যে ভাষাকে কেন্দ্র করে আমাদের জাতিসত্তার বিকাশ লাভ, স্বাধীনতার এত বছর পরেও বাংলাদেশের কোন সরকারই এখন পর্যন্ত একটি ভাষানীতি জাতিকে উপহার দিতে পারেনি। আহা! আমাদের ভাষাপ্রেম যেন মাছের মায়ের পুত্র শোকের মতই।

বিক্ষিপ্ত ভাবনা: মুহম্মদ জাফর ইকবাল

কেউ যদি কখনও কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করে আর সেই ভবিষ্যদ্বাণী মিলে যায়, তাহলে তার এক ধরনের আনন্দ হয়। আমি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলাম, এসএসসি পরীক্ষার সময় হরতাল-অবরোধ তুলে দেওয়া হবে না এবং আমাদের ছেলেমেয়েরা ঠিক করে পরীক্ষাও দিতে পারবে না। আমার ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গেছে; কিন্তু আমি সে জন্য বিন্দুমাত্র আনন্দ অনুভব করছি না। বড় মানুষরা নানা ধরনের অর্থহীন রূঢ় কাজ করে। একে অন্যের সঙ্গে নিষ্ঠুরতা করে; কিন্তু সারা পৃথিবীরই একটা অলিখিত নিয়ম, কম বয়সী ছেলেমেয়েদের সব নিরানন্দ-নিষ্ঠুরতা থেকে আড়াল করে রাখা হবে। এবার আমার সেই ধারণায় চোট খেয়ে গেল। দেশের প্রায় ১৫ লাখ এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হরতালের আওতার বাইরে রাখা হলো না। একটি একটি করে পরীক্ষা পিছিয়ে নেওয়া হচ্ছে, কবে পরীক্ষা হবে সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তা তো আছেই, তার সঙ্গে ছেলেমেয়েদের কপালে নতুন দুর্ভোগ যোগ হয়েছে_ দুটি পরীক্ষার মাঝখানের বিরতিগুলো কমে আসছে। ছেলেমেয়েদের মাঝে হতাশা আর ক্ষোভ। যেহেতু এই আন্দোলন আসলে মানুষ পুড়িয়ে ক্ষমতা দেখানোর আন্দোলন, তাই পরীক্ষা দিতে যাওয়া ছেলেমেয়েদের ভেতরে এক ধরনের আতঙ্ক, তাদের বাবা-মায়ের মাঝে আশঙ্কা।

HARTAL- DISRUPTION OF DAILY LIFE

 

Sometimes a question comes in my mind;’ is Bangladesh ruled by it’s citizens?’ Life has become so difficult for people here. The continuous hartal and blockades have become barrier for everyone’s daily life. Children aren’t being able to go to school, people aren’t being able to go to work and general people such as laborers and farmers aren’t earning and not being able to take care of their families. How long will this go on? Will this be a lifelong feature of our country?

LIFE SAVING MEDICAL GASES AND TALKS BEHIND THEM

 

 Medical gases are most important in saving human lives. Basically medical gases mean Oxygen, Nitrous Oxide, Medical Air, Entonux, etc. But the major two are Oxygen and Nitrous Oxide. Oxygen is given to patients who are unable to breath. During surgical procedures patients need continuous support of Oxygen.

Making patients unconscious prior to surgery and to get him to normalcy within a specific time is a dramatic part of medical treatments. For this procedure Nitrous Oxide is the prime anesthesia. Consequently all the processes, from production through transportation to usages of these gases are vital and highly sensitive aspects. Naturally the manufacturers take extra measures in production and transactions of gases.

 

 

 

Seminar on Bangladesh fashion design in Tashkent

Fashion 472572226

The program was attended by the guests including the spouses of the ambassadors of embassies in Tashkent,

UN agencies representatives, local fashion designers, media and cultural activists, journalists and embassy officials.